সাদিক একটি গাড়ির শোরুমে কাজ করেন। তাঁর ভাষ্য, গাড়ি বিক্রি হলে প্রায় এক হাজার আফগানি আয় হয়, যা দিয়ে পরিবারের খরচ মেটানো কঠিন। সংসারে সহায়তা করতে তাঁর কয়েকজন সন্তানও কাজ করে। কেউ কেউ জ্বালানি হিসেবে ব্যবহারের জন্য কাগজ ও প্লাস্টিক সংগ্রহ করে।
পরিবারে সাধারণত দিনে দুবার খাবার রান্না হয়। ঘুমানোর জায়গারও সংকট রয়েছে; কখনো ছয়-সাতজনকে একটি পাতলা কম্বল ভাগ করে নিতে হয়। এত কষ্টের মধ্যেও সন্তানদের স্কুলে পাঠানোর চেষ্টা করেছেন সাদিক, যদিও শিক্ষার খরচ জোগানো তাঁর জন্য কঠিন।
সাদিক জানান, বড় পরিবার গড়ার পেছনে তাঁর উদ্দেশ্য ছিল মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর অনুসারীর সংখ্যা বাড়ানো। তবে এত সন্তানের নাম মনে রাখাও তাঁর জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি আরও জানান, তাঁর ও স্ত্রীদের ১৪ সন্তান মারা গেছে।
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাদিকের চার স্ত্রী যখন তাঁকে বিয়ে করেন, তখন তাঁদের বয়স ছিল ১৩ থেকে ১৬ বছরের মধ্যে। এ ঘটনা আফগানিস্তানে বাল্যবিবাহ, অল্প বয়সে গর্ভধারণ এবং সীমিত স্বাস্থ্যসেবার ঝুঁকিও সামনে এনেছে।
সাদিক সরকার, ত্রাণ সংস্থা ও ব্যবসায়ীদের কাছে সহায়তা চেয়েছেন। তাঁর চাওয়া, সন্তানরা যেন শিক্ষার সুযোগ পায় এবং পরিবারের সবার জন্য পর্যাপ্ত খাবারের ব্যবস্থা হয়।