বেইজিং সফর শেষে বুধবার এ তথ্য জানান ল্যাভরভ। রুশ সংবাদমাধ্যম তাসসহ বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, সফরের বিস্তারিত সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি, তাই নির্দিষ্ট কর্মসূচি প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে এই সফরে ২০০১ সালে স্বাক্ষরিত চীন-রাশিয়া মৈত্রী চুক্তির নবায়নসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আলোচনায় আসবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ল্যাভরভ আরও জানান, আসন্ন শীর্ষ বৈঠকের আলোচ্যসূচিতে শিক্ষা খাতকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার প্রস্তাবও রাখা হয়েছে।
এদিকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ল্যাভরভ নিজে সম্প্রতি বেইজিং সফর করেন। সেখানে তিনি চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন।
রুশ দৈনিক ভেদোমোস্তির তথ্য অনুযায়ী, পুতিনের সম্ভাব্য সফর মে মাসের দ্বিতীয়ার্ধে হতে পারে। প্রাথমিকভাবে ১৮ মে থেকে শুরু হওয়া সপ্তাহকে সম্ভাব্য সময় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
চীন ও রাশিয়া চলতি বছর তাদের কৌশলগত অংশীদারিত্বের ৩০ বছর এবং মৈত্রী চুক্তির ২৫ বছর পূর্তি উদযাপন করছে। দুই দেশের সম্পর্ক সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে, যার প্রতিফলন বাণিজ্যেও দেখা গেছে। গত বছর দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ রেকর্ড ২২০ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়।
এর আগে পুতিন সর্বশেষ গত বছরের সেপ্টেম্বরে চীন সফর করেছিলেন, যেখানে তিনি সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার শীর্ষ সম্মেলনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন।