শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। মানবাধিকার লঙ্ঘনমূলক আইন পাস, বিরোধী মত দমন এবং সরকারের বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।
নাহিদ ইসলাম বলেন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সংস্কার না করে এনসিপি ও বিরোধী দলগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। তাঁর প্রশ্ন, সাহস থাকলে ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত সময়ের দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করা হোক। দুর্নীতির সঙ্গে কারা জড়িত ছিল, তা মানুষ দেখেছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, শেখ হাসিনা যেসব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করেছেন, সেগুলো সংস্কার না করে বর্তমান সরকার একই পথ অনুসরণ করছে। তাঁর অভিযোগ, শেখ হাসিনার কায়দাতেই সরকার এগোচ্ছে। পুলিশ সংস্কার কমিশন না করে বিরোধী দল দমনের জন্য পুলিশকে প্রস্তুত করা হচ্ছে। একইভাবে নির্বাচন কমিশনকেও ভূলুণ্ঠিত করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মানববন্ধনে এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে গুম বন্ধ এবং মানবাধিকার কমিশনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দুটি অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল। পরে সরকার সেগুলো বাতিল করে আরও শক্তিশালী আইন করার কথা জানিয়েছিল।
তিনি বলেন, এতে জনগণের প্রত্যাশা ছিল অপরাধ দমন ও বিচারব্যবস্থা আরও কার্যকর হবে। কিন্তু সংসদে যে আইন আনা হয়েছে, তাতে উল্টো অপরাধ শক্তিশালী হয়েছে এবং বিচারব্যবস্থা দুর্বল হয়েছে বলে মন্তব্য করেন আখতার হোসেন।
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, তারেক রহমানকে মনে রাখতে হবে—নাহিদ ইসলাম, আখতার হোসেন, হাসনাত আব্দুল্লাহ ও সারজিস আলমসহ দেশের তরুণ নেতৃত্ব সক্রিয় থাকা অবস্থায় স্বৈরাচারী পথে হাঁটলে ক্ষমতার মসনদ ধরে রাখা কঠিন হবে।