তিনি জানান, শিক্ষা, বিজ্ঞান, সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে অগ্রগতির জন্য নৈতিক ভিত্তিসম্পন্ন উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। কৃতি মানুষের সংখ্যা বাড়লে সমাজও মূল্যবোধ ও সমৃদ্ধিতে এগিয়ে যায়—এ কারণেই রাষ্ট্র গুণীজনদের সম্মান জানায়।
প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার পর প্রথম একুশে পদক চালু করেন। ভাষা আন্দোলনের চেতনা স্মরণ এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতি দিতেই এ পুরস্কার প্রবর্তিত হয়।
এবার ‘একুশে পদক-২০২৬’ পেয়েছেন ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠান। সম্মাননা পেয়েছেন চলচ্চিত্রে ফরিদা আক্তার ববিতা, চারুকলায় অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার, স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম, সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু (মরণোত্তর), নৃত্যে অর্থী আহমেদ, নাটকে ইসলাম উদ্দিন পালাকার, সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান, শিক্ষায় অধ্যাপক মাহবুবুল আলম মজুমদার এবং ভাস্কর্যে তেজস হালদার যশ। সংগীতে অবদানের জন্য ব্যান্ড ওয়ারফেজ-কেও পদক দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য, একুশে পদক দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা। ১৯৭৬ সাল থেকে ভাষা আন্দোলনের চেতনায় অনন্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এটি প্রদান করা হচ্ছে।