বুধবার (৫ আগস্ট) জুলাই অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আয়োজিত রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী এবং আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির ভাষ্য, জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের যে স্বপ্ন, তা বাস্তবায়নের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব বর্তমান সংসদের। তিনি আশা প্রকাশ করেন, সংসদের সদস্যরা সম্মিলিতভাবে সেই দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়েই এই সংসদের জন্ম হয়েছে। জনগণ বিশ্বাস করে, এই সংসদের হাত ধরেই একটি নতুন বাংলাদেশের ভিত্তি আরও শক্ত হবে। অতীতের বিভিন্ন সংসদ কাছ থেকে দেখার অভিজ্ঞতার আলোকে তিনি মনে করেন, গুণগত দিক থেকে বর্তমান সংসদ আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি সমৃদ্ধ।
হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বর্তমান সরকার ও জাতীয় সংসদের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব হলো জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা। তাদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন করাই রাষ্ট্রের দায়িত্ব।
তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ যেমন গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার সংগ্রাম ছিল, তেমনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। দীর্ঘ ১৬ বছরের ধারাবাহিক সংগ্রাম, ত্যাগ ও আত্মোৎসর্গের ফলেই স্বৈরাচারের পতন সম্ভব হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
জুলাইয়ের চেতনাকে ধরে রাখার আহ্বান জানিয়ে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি বলেন, জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার বাস্তবায়নই এখন সবচেয়ে বড় অঙ্গীকার। একই সঙ্গে গণতন্ত্রকে আরও প্রাতিষ্ঠানিক ও শক্তিশালী করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।