আজ মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) সকালে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন;দেশের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আছে। কেউ যদি সন্দেহজনক কিছু লক্ষ্য করেন, সঙ্গে সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানান।”
তিনি জানান, ১৩ নভেম্বর নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ঘোষিত লকডাউন ঘিরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুলিশের পাশাপাশি অন্যান্য বাহিনীও প্রস্তুত রয়েছে। কোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড সহ্য করা হবে না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় আছে।
উপদেষ্টা আরও বলেন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার অভিযান অব্যাহত আছে এবং তা আরও জোরদার করা হবে।অনেক সময় অপরাধীরা সহজে জামিন পেয়ে যায়—এ বিষয়ে নজর দেওয়া হবে, যাতে দোষীরা সহজে মুক্তি না পায়।
নিরাপত্তা জোরদারের অংশ হিসেবে রাস্তার পাশে পেট্রোল বিক্রি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে, যাতে এই তেল ব্যবহার করে কোনো ধ্বংসাত্মক কাজ ঘটানো না যায়। রাজধানীজুড়ে পেট্রোলিং কার্যক্রম, মেট্রোরেল, রেলস্টেশন ও ট্রাইব্যুনালসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন,“কিছু এলাকায় বিচ্ছিন্ন ঘটনার খবর পাওয়া গেলেও বড় কোনো বিশৃঙ্খলা নেই। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর রয়েছে। শান্তি বজায় রাখতে সবাইকে সচেতন ও সহযোগিতামূলক ভূমিকা রাখতে হবে।”
এদিকে, জাতীয় পার্টির কিছু শীর্ষ নেতার বাসায় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অবস্থানের তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিশেষভাবে সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।