আইন কমিশনের ব্যয় ও কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, গত দুই দশকে কমিশনের পেছনে প্রায় ১৫০ কোটি টাকা ব্যয় হলেও বাস্তব ফল খুবই সীমিত।
তিনি জানান, কমিশন এখন পর্যন্ত ১৬৯টি আইনের বিষয়ে সুপারিশ করেছে, কিন্তু এর মধ্যে মাত্র আটটি বাস্তবায়িত হয়েছে। বছরে প্রায় ৮–১০ কোটি টাকা খরচ হলেও জনগণ কাঙ্ক্ষিত সুফল পাচ্ছে না।
সোমবার সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামে ইউএনডিপি ও অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের যৌথ ইন্টার্নশিপ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের জন্য কমিশনের চেয়ারম্যান বা অন্যান্য আকর্ষণীয় পদে নিয়োগ বিচার বিভাগের নিরপেক্ষতা ও ভাবমূর্তির জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। একইভাবে করপোরেট বোর্ড বা লাভজনক পদে তাদের সম্পৃক্ততাও প্রশ্ন তৈরি করে।
বার কাউন্সিল পরীক্ষার কাঠামো আধুনিক করার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি, বিশেষ করে ইংরেজি মাধ্যমের শিক্ষার্থীদের জন্য তা সহজ ও সময়োপযোগী করার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, আইন পেশার মানোন্নয়ন এখন জরুরি। সম্প্রতি একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির বিরুদ্ধে উচ্চ ফি নিয়ে ব্যর্থতার অভিযোগের কথাও তিনি তুলে ধরেন, যা পেশার নৈতিকতার প্রশ্ন তোলে।
শেষে তিনি জানান, অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়সহ পুরো আইনি কাঠামোতে সংস্কার ও বাজেট বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে ভবিষ্যতে আরও স্বচ্ছ ও কার্যকর বিচারব্যবস্থা গড়ে ওঠে।