সোমবার (২৭ জুলাই) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। তেহরানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বাঘাই বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে সংঘাত শুরুর পর ওয়াশিংটন ধারণা করেছিল, মাত্র তিন দিনের মধ্যেই ইরান দুর্বল হয়ে আত্মসমর্পণ করবে। কিন্তু কয়েক মাস পরও যুক্তরাষ্ট্র এই সংঘাতের মধ্যে আটকে আছে বলে দাবি করেন তিনি।
ইরানি এই কর্মকর্তা বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্য বেড়ে গেলে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আলোচনার আগ্রহ দেখা যায়।
এদিকে, হরমুজ প্রণালির নির্ধারিত নৌপথের বাইরে দিয়ে চলাচলের অভিযোগে ছয়টি জাহাজ থামানোর দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির প্রতিবেদনে একটি সূত্রের বরাতে বলা হয়, জাহাজগুলো হরমুজ প্রণালির দক্ষিণ অংশে একটি ‘অনিরাপদ ও অবৈধ’ রুট দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিল। ইরানি সূত্রের দাবি, এর মাধ্যমে ওই এলাকায় অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীকে উসকানি দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ছয়টি জাহাজের একটি নিয়ে সেখানে একটি অনির্দিষ্ট ঘটনা ঘটে। অন্য পাঁচটি জাহাজকে ইরানের নিয়ন্ত্রিত পারস্য উপসাগরীয় এলাকায় ঘুরিয়ে দেওয়া হয়।
তবে জাহাজগুলোর নাম, পতাকাবাহী দেশ, ক্রুদের পরিচয় বা ঘটনার বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ইরানি সূত্রটি জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে চলাচলের জন্য নির্ধারিত নৌপথ স্পষ্টভাবে চিহ্নিত রয়েছে। ওই পথের বাইরে চলাচল করলে তা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
ইরানের এই দাবির বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি মার্কিন সামরিক বাহিনী।