প্রতিবাদকারীরা দাবি জানান, নিউইয়র্ক সিটির ন্যূনতম মজুরি দ্রুত বাড়িয়ে ৩০ ডলার ঘণ্টাপ্রতি করতে হবে। বর্তমানে শহরে ন্যূনতম মজুরি ১৬ দশমিক ৫০ ডলার, যা জীবনযাত্রার ব্যয়ের তুলনায় অপ্রতুল বলে দাবি করেছেন তারা।
বিক্ষোভকারীরা “ট্রাম্প মাস্ট গো নাউ”, “রেইজ দ্য ড্যাম ওয়েজ” স্লোগান দেন এবং ট্রাম্পকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যায়িত করেন। তাদের অভিযোগ, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন শ্রমিক অধিকার খর্ব করছে, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সংকুচিত করছে এবং বৈচিত্র্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নীতির (DEI) উপর আঘাত হানছে।
এই বিক্ষোভে অংশ নেয় ওয়ান ফেয়ার ওয়েজ, মে ডে স্ট্রং, রিফিউজ ফ্যাসিজম ডট অর্গ এবং নতুন ঘোষিত নিউইয়র্ক লিভিং ওয়েজ ফর অল কোয়ালিশন। সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে জানানো হয়, জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয়—ভাড়া, খাদ্য ও অন্যান্য মৌলিক খরচ—মেটাতে শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি অত্যন্ত জরুরি।
দিনব্যাপী লেবার ডে কর্মসূচিতে শ্রমিক সংগঠনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও অংশ নেন। সঙ্গীত বাজিয়ে ও ব্যানার-প্ল্যাকার্ড হাতে তারা মিছিল নিয়ে ট্রাম্প টাওয়ার অভিমুখে অগ্রসর হন।
শুধু নিউইয়র্কেই নয়, যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যে এ ধরনের এক হাজারেরও বেশি বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ওয়াশিংটন ডিসি, শিকাগো ও পশ্চিম উপকূলের শহরগুলোতেও শ্রমিকরা সমাবেশ করে অভিন্ন দাবি জানান—শ্রমিক অধিকার রক্ষা, সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা এবং অভিবাসীদের ওপর কঠোরতা বন্ধ করা।
শ্রমিক সংগঠনগুলোর ভাষ্য, এবারের লেবার ডে আন্দোলন শুধু ট্রাম্প প্রশাসনের বিরুদ্ধে নয়; বরং একটি ন্যায়ভিত্তিক অর্থনীতি প্রতিষ্ঠা এবং শ্রমিক শ্রেণির সম্মান ও ন্যায্য প্রাপ্য নিশ্চিত করার সংগ্রাম।