একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন করে সরাসরি আলোচনায় বসার কোনো পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিতে নিউইয়র্কে থাকা ইরানের প্রতিনিধি দল।
গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে জনসম্মুখে দেখা যায়নি খামেনিকে। এর মধ্যেই যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক তৎপরতা চলার মধ্যে সোমবার দেওয়া এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের কথা জানান তিনি।
রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত বক্তব্যে খামেনি বলেন, ইরানের যোদ্ধা ও হরমুজ প্রণালির রক্ষকদের হাতে আঘাত পাওয়ার পর শত্রুরা এখন আর আরব সাগরের বাইরে যাওয়ার সাহস করছে না। তিনি সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের নাম না নিলেও বলেন, তারা যখনই এমন ঝুঁকি নেওয়ার চেষ্টা করেছে, তখনই ক্ষতির মুখে পড়েছে। খুব শিগগির আরব সাগর থেকেও তাদের উপস্থিতি মুছে যাবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া কয়েকটি পোস্টে খামেনি অভিযোগ করেন, ইরানের ‘শত্রুরা’ দেশটির ইসলামি ব্যবস্থার সামাজিক ভিত্তি দুর্বল করার চেষ্টা করেছে। তবে তার দাবি, সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ নিজেদের অবস্থান রক্ষায় দৃঢ় রয়েছে। এর মধ্যে হরমুজ প্রণালির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়টিও রয়েছে।
খামেনি আরও বলেন, গত সাত মাস ধরে ইসলাম রক্ষার লড়াইয়ে ইরানের জনগণ শত্রুদের মধ্যে ভয় তৈরি করেছে।
এদিকে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরনার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিউইয়র্কে থাকা ইরানি প্রতিনিধি দলের যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে নতুন কোনো সরাসরি আলোচনায় বসার পরিকল্পনা নেই। প্রতিনিধি দলের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্রের বরাতে ইরনা জানায়, কাতারের মধ্যস্থতাকারীর মাধ্যমে ওয়াশিংটনের কাছে তেহরানের অবস্থান ও মতামত জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার ইরানি প্রতিনিধি দল নিউইয়র্ক থেকে তেহরানে ফিরে যাবে বলেও ওই সূত্র জানিয়েছে।