তিনি বলেন, কয়েকদিনের টানা বর্ষণ ও আকস্মিক বন্যায় চট্টগ্রাম অঞ্চলের বহু মানুষ দুর্ভোগে পড়েছেন এবং বিপুল সংখ্যক পরিবার ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে দ্রুত সহায়তা ও উদ্ধার কার্যক্রম নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় বিভিন্ন সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
মাহদী আমিনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশিত পদক্ষেপগুলোর মধ্যে রয়েছে দুর্যোগ পরিস্থিতির সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ, প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয়, আশ্রয়কেন্দ্র পরিচালনা এবং ত্রাণ সহায়তা জোরদার করা।
এ পর্যন্ত চট্টগ্রাম বিভাগের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ১ হাজার ৫৭টি আশ্রয়কেন্দ্র চালু করা হয়েছে, যেখানে ১২ হাজারের বেশি মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। পাশাপাশি জেনারেল রিলিফ (জিআর) কর্মসূচির আওতায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানে ২ কোটি ১৫ লাখ টাকা এবং ৩ হাজার ৪৫০ টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
দুর্গত এলাকায় নিরাপদ খাবার পানি, স্বাস্থ্যসেবা, স্যানিটেশন সুবিধা, শিশুখাদ্য ও নিয়মিত খাবার সরবরাহের ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি সেনাবাহিনীকে উদ্ধার কার্যক্রমে যুক্ত করা হয়েছে।
এছাড়া স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সংসদ সদস্যদের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উপস্থিত থেকে ত্রাণ কার্যক্রম তদারকির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মী ও সহযোগী সংগঠনগুলোকেও দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
মাহদী আমিন বলেন, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সেনাবাহিনী ও কোস্টগার্ড সমন্বিতভাবে কাজ করছে, যাতে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করা যায় এবং ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ প্রয়োজনীয় সহায়তা পান।