শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লির যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে নেতৃত্ব দিতে মুম্বাই থেকে রওনা হওয়ার সময় সাংবাদিকদের কাছে এসব কথা বলেন দীপকে। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।
দিল্লির মেট্রো চলাচল সীমিত করা ও শহরজুড়ে নিরাপত্তা জোরদারের সমালোচনা করে তিনি বলেন, মোদি ভয় পেয়েছেন বলেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তার মতে, দেশের তরুণদের প্রতিবাদ দমনে এমন ব্যবস্থা নেওয়ার মধ্য দিয়ে সরকারের উদ্বেগ প্রকাশ পাচ্ছে।
বার্তা সংস্থা এএনআইকে দেওয়া বক্তব্যে দীপকে প্রধানমন্ত্রী মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন, তারা কি নিজেদের দেশের মানুষের বিরুদ্ধেই লড়াই করতে চান? প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে এমন কী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যে নাগরিকদের মোকাবিলায় পুলিশ ও সেনাবাহিনী নামানোর প্রয়োজন পড়তে পারে—এ প্রশ্নও তোলেন তিনি।
দীপকের দাবি, বর্তমান পরিস্থিতি মোদির রাজনৈতিক অবস্থানের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। এ ঘটনার পর মানুষ তাকে আর ভোট দিতে চাইবেন না বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।
যন্তর মন্তরের বিক্ষোভের যৌক্তিকতা তুলে ধরে সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা বলেন, গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ নাগরিকদের সাংবিধানিক অধিকার। ভারতের সংবিধানের ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদে এ অধিকার স্বীকৃত রয়েছে। তাদের কর্মসূচির উদ্দেশ্যও শান্তিপূর্ণভাবে সেই অধিকার প্রয়োগ করা।