নিজস্ব সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ইরানের অতীত আচরণের প্রেক্ষাপটে এই প্রস্তাব সহজে গ্রহণযোগ্য বলে মনে হচ্ছে না। তার ভাষায়, বহু বছরের কর্মকাণ্ডের জন্য যে দায় নেওয়া উচিত, তা এখনো স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়নি।
এর আগেও ইরানের একটি প্রস্তাব নাকচ করেছিলেন তিনি। গত শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে ট্রাম্প জানান, তেহরানের প্রস্তাবে তিনি সন্তুষ্ট নন। একইসঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দেন, প্রয়োজন হলে ইরানের বিরুদ্ধে আবারও সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।
ফ্লোরিডার ওয়েস্ট পাম বিচে সাংবাদিকদের সামনে ট্রাম্প বলেন, ইরান যদি পুনরায় উসকানিমূলক কিছু করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিক্রিয়া জানাতে পিছপা হবে না। যদিও সম্ভাব্য পদক্ষেপের বিস্তারিত তিনি খোলাসা করেননি।
চলতি বছরের শুরুর সংঘাত থেকেই বর্তমান উত্তেজনার সূত্রপাত। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর প্রায় ৪০ দিন ধরে সংঘর্ষ চলে। পরে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল থেকে সাময়িক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়, যা পরবর্তীতে বাড়ানো হয়েছিল।
সর্বশেষ, পাকিস্তানের মাধ্যমেই ওয়াশিংটনের কাছে ১৪ দফার নতুন প্রস্তাব পৌঁছায়। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান মূলত তেহরানের ওপর চাপ বাড়ানোর কৌশল হতে পারে। তবে পরিস্থিতি কোন দিকে গড়াবে, তা এখনো অনিশ্চিত।