ইশতেহার ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন জিএস পদপ্রার্থী তানভীর বারী হামিম, এজিএস পদপ্রার্থী তানভীর আল হাদী মায়েদ, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন নাসির ও সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমানসহ শীর্ষ নেতারা।
ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম অনুষ্ঠানে বলেন, আগামী ৯ সেপ্টেম্বরের ডাকসু নির্বাচন শিক্ষার্থীদের জন্য গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের এক অনন্য সুযোগ। তার ভাষ্যে, ছাত্রদলের প্রস্তাবিত অঙ্গীকারগুলো বাস্তবায়িত হলে শিক্ষা কার্যক্রম হবে সময়োপযোগী এবং শিক্ষার্থীরা উপভোগ করবে একটি প্রাণবন্ত ও সুরক্ষিত ক্যাম্পাস জীবন।
ছাত্রদলের ঘোষিত ১০ দফা ইশতেহার:
১. বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন সময়কে যেন শিক্ষার্থীরা জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান, শিক্ষণীয় ও আনন্দময় সময় হিসেবে মনে রাখতে পারে—সে লক্ষ্যে সৃজনশীল পদক্ষেপ গ্রহণ।
২. নারী শিক্ষার্থীর পোশাকের স্বাধীনতা, যৌন হয়রানি প্রতিরোধ এবং সমান সামাজিক মর্যাদা নিশ্চিতকরণ।
৩. মেডিকেল সেন্টারের অবকাঠামো ও সেবা আধুনিকায়ন; সার্বক্ষণিক ডাক্তার, অ্যাম্বুলেন্স ও ফার্মেসি সুবিধা নিশ্চিতকরণ; জরুরি ওষুধ বিনামূল্যে প্রদান।
৪. কারিকুলাম নিয়মিত পর্যালোচনা ও আন্তর্জাতিক মানে হালনাগাদ; শিক্ষার্থী-শিক্ষক-গবেষক সমন্বয়ে কমিটি গঠন; আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে ক্রেডিট ট্রান্সফার সুযোগ বৃদ্ধি।
৫. ক্যাম্পাসে পরিবেশবান্ধব ও ব্যাটারিচালিত পর্যাপ্ত শাটল সার্ভিস চালু।
৬. রেজিস্ট্রার ভবনে হয়রানিমুক্ত প্রশাসনিক কার্যক্রম নিশ্চিত করা; সার্টিফিকেট-ট্রান্সক্রিপ্ট প্রদান ও ফি পরিশোধসহ সব কার্যক্রম ডিজিটালাইজ করা; ডিজিটাল সাপোর্ট ডেস্ক চালু।
৭. বৈচিত্র্যপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ গড়ে তুলতে নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি চর্চায় উৎসাহ প্রদান।
৮. একাডেমিক ইমেইলের স্টোরেজ ও মেয়াদ বৃদ্ধি; বিশ্বমানের অনলাইন জার্নাল ও লাইব্রেরি অ্যাক্সেস নিশ্চিত; শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে ক্লাউড স্টোরেজ প্রদান।
৯. পরিবেশ সংরক্ষণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও সবুজায়নের মাধ্যমে প্রাণিবান্ধব ক্যাম্পাস গঠন।
১০. একাডেমিক ক্যালেন্ডারে নিয়মিত ডাকসু নির্বাচন অন্তর্ভুক্ত করা।