শনিবার (৩ অক্টোবর) জেলার সাতটি থানা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) বিভিন্ন এলাকায় যৌথভাবে এ অভিযান চালায়। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারদের মধ্যে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৯ জন সদস্য, ৮ জন মাদক কারবারি, ৫৮ জন মাদকসেবী, একজন চোর, ওয়ারেন্টভুক্ত ৭ জন, নিয়মিত মামলার ৮ আসামি এবং অন্যান্য আইনে ৭ জন রয়েছেন।
জেলা পুলিশ সুপার মো. হাবিবুর রহমান, পিপিএমের নির্দেশনায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
নারায়ণগঞ্জ সদর থানা পুলিশ ১৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের মধ্যে নিষিদ্ধ সংগঠনের একজন সদস্য, ২১২ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি, ছয় মাদকসেবী, দুই ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ও অন্যান্য মামলার চারজন রয়েছেন।
ফতুল্লা মডেল থানার অভিযানে ৪০ পিস ইয়াবাসহ একজন মাদক কারবারি, ১৮ মাদকসেবী, তিন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি এবং নিয়মিত ও অন্যান্য মামলার দুজনসহ ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পুলিশ নিষিদ্ধ সংগঠনের তিন সদস্য, ৩০ পিস ইয়াবাসহ তিন মাদক কারবারি, ১২ মাদকসেবী, একজন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ও নিয়মিত মামলার পাঁচ আসামিসহ ২৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।
বন্দর থানা পুলিশ ছয় মাদকসেবী ও অন্যান্য আইনে একজনসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করে। সোনারগাঁ থানার অভিযানে নিষিদ্ধ সংগঠনের তিন সদস্য, ৫০ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি, ১৩ মাদকসেবী, একজন ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি ও একজন চোরসহ ২০ জন গ্রেপ্তার হন।
রূপগঞ্জ থানা পুলিশ নিষিদ্ধ সংগঠনের দুই সদস্য, তিন মাদকসেবী ও অন্যান্য আইনে দুজনসহ সাতজনকে এবং আড়াইহাজার থানা পুলিশ অন্যান্য আইনে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অভিযানে গ্রেপ্তার ৯৮ জনের মধ্যে ৫৮ জনই মাদকসেবী। এছাড়া আট মাদক কারবারির কাছ থেকে মোট ৩৩২ পিস ইয়াবা উদ্ধারের কথা জানিয়েছে পুলিশ। একই অভিযানে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের নয় সদস্যও গ্রেপ্তার হয়েছেন।
নারায়ণগঞ্জ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অপারেশন) তারেক আল মেহেদী এশিয়া পোস্টকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, মাদক ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন মামলার আসামিদের আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত বিশেষ অভিযান চলছে। অপরাধের ধরন ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযান আরও জোরদার করা হবে।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।