বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান ও যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম। পরে মোটর শোভাযাত্রা করে তাকে ‘হায়াত অ্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক’ হোটেলে নেওয়া হয়। সফরকালে সেখানেই থাকবেন তিনি।
২২ সেপ্টেম্বর থেকে প্রধানমন্ত্রীর আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হবে। এদিন জাতিসংঘ মহাসচিবের স্বাগত প্রাতঃরাশ, সাধারণ পরিষদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এবং মার্কিন প্রেসিডেন্টের দেওয়া অভ্যর্থনায় অংশ নেবেন তিনি।
২৩ সেপ্টেম্বর বৈশ্বিক বৈষম্য মোকাবিলা এবং জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে দুটি উচ্চ পর্যায়ের সভায় অংশ নেবেন। একই দিন রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে বাংলাদেশের আয়োজিত সাইড ইভেন্টেও বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে।
২৪ সেপ্টেম্বর সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি নিয়ে আয়োজিত উচ্চ পর্যায়ের সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন প্রধানমন্ত্রী। একইদিন সাধারণ বিতর্কে ভাষণ এবং মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য ও মিডওয়াইফারি বিষয়ক সাইড ইভেন্টে অংশ নেবেন।
সফরের ফাঁকে কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স এবং ক্রোয়েশিয়া, ভুটান, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান ও হাইতির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের কথা রয়েছে। এসব বৈঠকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য-বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা ও রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক সময় রাত ১১টায় এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে তার। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এই অধিবেশনে অংশ নেওয়াই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘে প্রথম উপস্থিতি।