সোমবার সচিবালয়ে কৃষি ও কৃষিজাত শিল্পে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টায় টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হবে। একই সঙ্গে সেখানে কৃষক সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে দুপুর সোয়া ১২টায় পৌর উদ্যানে কৃষিমেলার উদ্বোধন করবেন তিনি।
দিনের কর্মসূচির অংশ হিসেবে সকাল ১০টায় টাঙ্গাইলে পৌঁছে সন্তোষে মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত করবেন প্রধানমন্ত্রী।
মাহদী আমিন আরও জানান, প্রাথমিকভাবে ১০টি জেলার ১১টি উপজেলায় প্রি-পাইলটিং হিসেবে এই কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এর মাধ্যমে ধাপে ধাপে প্রায় ৩০ লাখ কৃষককে ‘কৃষক কার্ড’-এর আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। উদ্বোধনী দিনে টাঙ্গাইলে ১৫০০ কৃষকের হাতে সরাসরি কার্ড তুলে দেওয়া হবে।
প্রাথমিক তালিকায় থাকা উপজেলাগুলোর মধ্যে রয়েছে পঞ্চগড় সদর উপজেলার কমলাপুর ব্লক, বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার উথলি ব্লক, ঝিনাইদহের শৈলকূপা উপজেলার কৃপালপুর ব্লক, পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার রাজাবাড়ি ব্লক, কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার রাজারছড়া ব্লক, কুমিল্লার আদর্শ সদর উপজেলার অরণাপুর ব্লক, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার সুরুজ ব্লক, রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার তেনাপঁচা ব্লক, মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার ফুলতলা ব্লক, পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার পাঁচপির ব্লক এবং জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা ব্লক।
সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, তিন ধাপে সারা দেশের কৃষকদের এই কার্ডের আওতায় আনা হবে। পাঁচটি শ্রেণিতে বিভক্ত এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা ন্যায্যমূল্যে কৃষি উপকরণ, সেচ সুবিধা, সহজ শর্তে কৃষিঋণসহ মোট ১০ ধরনের সুবিধা পাবেন।